অংক: মানুষ হিসাব নিকাশ এবং গণনা কার্যের জন্য যেসব প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করে তাকে অংক বলে।
অথবা, শূণ্য থেকে নয় পর্যন্ত প্রতীক সমূহকে অংক বলে।
অথবা, সংখ্যা গঠনের জন্য যেসব প্রতীক ব্যবহার হয় তাদের অংক বলে।
য়েমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯
অংক দুই প্রকার: (ক) স্বার্থক অংক
(খ) অভাবজ্ঞাপক অংক
স্বার্থক অংক: ১ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক সমূহকে স্বার্থক অংক বলে।
অভাবজ্ঞাপক অংক: শূণ্যকে (০) অভাবজ্ঞাপক অংক বলে।
অংকপাতন: কোন সংখ্যা অংক দ্বারা লেখাকে অংকপাতন বলে।
দশগুণোত্তর রীতি: দশভিত্তিক বলে সংখ্যা প্রকাশের রীতিকে দশগুণোত্তর রীতি বলে।
সংখ্যা: এক বা একাধিক অংক পাশাপাশি বসে সংখ্যা গঠন করে।
স্বাভাবিক সংখ্যা: শুণ্য ব্যতীত বাকি ধনাত্মক অখন্ড সংখ্যা গুলো স্বাভাবিক সংখ্যা।
স্থানীয়মান: সংখ্যায় ব্যবহৃত কোন অংক তার অবস্থানের জন্য যে মান প্রকাশ করে তাকে ঐ অংকের স্থানীয়মান বলে।
স্বকীয়মান: সংখ্যায় ব্যবহৃত কোন অংক আলাদা আলাদাভাবে যে মান প্রকাশ করে তাকে ঐ অংকের স্বকীয়মান বলে।
অথবা, শূণ্য থেকে নয় পর্যন্ত প্রতীক সমূহকে অংক বলে।
অথবা, সংখ্যা গঠনের জন্য যেসব প্রতীক ব্যবহার হয় তাদের অংক বলে।
য়েমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯
অংক দুই প্রকার: (ক) স্বার্থক অংক
(খ) অভাবজ্ঞাপক অংক
স্বার্থক অংক: ১ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক সমূহকে স্বার্থক অংক বলে।
অভাবজ্ঞাপক অংক: শূণ্যকে (০) অভাবজ্ঞাপক অংক বলে।
অংকপাতন: কোন সংখ্যা অংক দ্বারা লেখাকে অংকপাতন বলে।
দশগুণোত্তর রীতি: দশভিত্তিক বলে সংখ্যা প্রকাশের রীতিকে দশগুণোত্তর রীতি বলে।
সংখ্যা: এক বা একাধিক অংক পাশাপাশি বসে সংখ্যা গঠন করে।
স্বাভাবিক সংখ্যা: শুণ্য ব্যতীত বাকি ধনাত্মক অখন্ড সংখ্যা গুলো স্বাভাবিক সংখ্যা।
স্থানীয়মান: সংখ্যায় ব্যবহৃত কোন অংক তার অবস্থানের জন্য যে মান প্রকাশ করে তাকে ঐ অংকের স্থানীয়মান বলে।
স্বকীয়মান: সংখ্যায় ব্যবহৃত কোন অংক আলাদা আলাদাভাবে যে মান প্রকাশ করে তাকে ঐ অংকের স্বকীয়মান বলে।


0 Comments